সোমবার, ১৫ Jun ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসের নাটকীয় অভিযানের আগেই অবৈধ গ্রাহকরা খুলে রাখে রাইজার গত ৭বছরেও তিতাসের অভিযান হয়নি সিদ্ধিরগঞ্জের মজিববাগ ও আলামিন নগরে, লক্ষ লক্ষ টাকা লোপাট বাজেটে গরীবের উপর করের বোঝা চাপাবেন না: বাংলাদেশ ন্যাপ সিদ্ধিরগঞ্জের স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অকিল ভূইয়ার উপর হামলায় নিন্দা ও শাস্তির দাবি জিয়া মঞ্চের আহবায়ক নাছিরের পুলিশের তৎপরতায় এবার ঈদে সিদ্ধিরগঞ্জে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি : ওসি সিদ্ধিরগঞ্জ নারায়ণগঞ্জে ‘পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদাদাবি, হত্যার হুমকি ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার

এনসিপি নেতারা মুগদা থানা ঘেরাও করে আ.লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন

রাজধানীর মুগদায় মব সৃষ্টি করে থানা হেফাজতে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির—এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী নেতারা।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে মুগদা থানায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশি অভিযানে আটক হয় ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। পরে তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়। আলমগীর স্থানীয় একটি মারামারি মামলার সন্দেনভাজন আসামি। মামলা তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করেছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেনকে আটকের পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এনসিপির মুগদা থানা আহ্বায়ক শাওন চৌধুরীর নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের দল থানার সামনে জড়ো হন। এই দলে ছিলো— বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুগদা থানা ইউনিটের সমন্বয়ক নাঈম আবেদীন, মো. জাবেদ, মো. সৈকত, মাজহারুল ইসলাম ও ফারাবি জিসানসহ আরও অনেকে। তারা থানার সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। একইসঙ্গে আলমগীরকে ছেড়ে দিতে নানান চাপ সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে তারা থানার কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ আটক আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন দিতে বাধ্য হয়।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘রাজনৈতিক একটি মামলায় তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে এনসিপি ও বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী থানায় এসে চাপ সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনার পর আদালতে না পাঠিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজেদুর রহমানকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত