মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামে চিরকাল প্রেরণা জোগাবে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিক-নারী-যুবক-ছাত্রদের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। তারা অভ্যুত্থানে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন। ফলে বাংলাদেশ আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। তবে গণঅভ্যুত্থানে যারা ছাত্র-জনতার উপর হামলা করে হত্যাকান্ড চালিয়েছে, আজও তাদের বিচার সম্পন্ন হয় নাই। অবশ্যই তাদের বিচার সমাপ্ত হতে হবে।’
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, ‘জুলাইয়ের চেতনা- বিভেদ নয়, ঐক্য। তাই সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তা না হলে ফ্যাসিস্টরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। ব্যাক্টেরিয়া-ভাইরাসরূপী ফ্যাসিস্টদের রুখতে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। জুলাই গণহত্যার বিচার অবশ্যই হতে হবে। বর্তমানের দুর্নীতি, লুট-পাট, চাঁদাবাজ, ধর্ষণের মতো ঘটনা সকলে মিলে রুখতে হবে। নৈতিকতা ও নৈতিক শিক্ষার উপর অধিকতর গুরুত্ব দিতে হবে।’
নেতৃদ্বয় বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতি আমাদের প্রজ্বলিত করবে, প্রেরণায় উদ্দীপ্ত করবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আবার কোনো নতুন সংগ্রামে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাবে। প্রতিদিন সব কটা জানালা আমাদের খুলে রাখতে হবে। শহীদেরা চুপি চুপি আসবেন, আমাদের স্মৃতিতে আমরা শহীদদের ধারণ করতে হবে। আমাদের মনের মধ্যে যাতে কোনো ধরনের বিবেকহীন শব্দ জাগ্রত না হতে পারে, সেই তাড়না তাঁরা দেবেন। কোনো অগণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী শক্তির যাতে আর আগমন না ঘটতে পারে, তাই তাঁদের স্মৃতি একটি মাস বা দিনের জন্য নয়।’
তারা বলেন, ‘এখনই রণক্লান্ত হলে চলবে না। দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। জুলাইয়ের চেতনা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে নবজাগরণের অফুরন্ত প্রেরণা। জুলাইয়ের চেতনার ভিত্তিতে দুর্নীতি, দুর্বৃত্তানমুক্ত রাষ্ট্র ও সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই জুলাই শহীদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে।’