বুধবার, ২৯ Jul ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গ্যাস সংকট স্বাভাবিক করতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করুন :ন্যাপ চেয়ারম্যান প্রার্থী তানজিরুল ইসলাম বিতারা ইউনিয়ন কে একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান আর্জেন্টিনা কে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন স্পেন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আইএইচআরসি ট্রাস্টের নারায়ণগঞ্জ জেলা আংশিক কমিটি ঘোষণা বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন এর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে ডা: তামজিদ জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক বি. আর বিলকিসকে ফুলেল শুভেচ্ছা রূপগঞ্জ থানার এএসআই অজয় কুমারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ পণ্যবাহী গাড়ি থেকে তেল, চিনি ও রড ডাকাতি বন্ধের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রান্সপোর্ট মালিকদের মানববন্ধন রথযাত্রায় নিরাপত্তা দিতে নেতাকর্মীদের মামুন মাহমুদের নির্দেশ নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ীকে হুমকির অভিযোগে যুবদল নেতা সাহেদ কে শোকজ

গ্যাস সংকট স্বাভাবিক করতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করুন :ন্যাপ

রাজধানীসহ দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদ জানিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেছেন, ‘দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোথাও গ্যাস সম্পূর্ণ বন্ধ, আবার কোথাও গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে, স্বাভাবিকভাবে রান্নাবান্না করাও সম্ভবপর হচ্ছে না। ফলে হাজারো পরিবার সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। গ্যাসের অভাবে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য খাবার প্রস্তুত করা, এমনকি বিশুদ্ধ পানি ফুটিয়ে পান করার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজও ব্যাহত হচ্ছে। এটি শুধু একটি সেবাগত সমস্যা নয়; বরং জনস্বাস্থ্য ও নাগরিক জীবনের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’

বুধবার (২৯ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ দাবী জানান।

তারা বলেন, ‘চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি খাদ্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এর ওপর যোগ হয়েছে রাজধানীতে তীব্র গ্যাস সংকট ও গ্রামাঞ্চলে নজিরবিহীন লোডশেডিং, যা জনজীবনকে স্থবির করে তুলেছে। জনগণের মৌলিক অধিকার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব। গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের এই চরম অব্যবস্থাপনা দ্রুত দূর না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছাতে বাধ্য।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতির কোনও দৃশ্যমান উন্নতি হচ্ছে না। বরং রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, সরকারি আশ্বাস বাস্তবায়ন নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন, উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা সৃষ্টি হচ্ছে।’

তারা বলেন, ‘বর্তমান গ্যাস সংকট শুধু একটি টার্মিনালের সমস্যার কারণে তৈরি হয়নি। এটি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতার ফল। বাংলাদেশের নিজস্ব গ্যাস উৎপাদন কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে উৎপাদন ক্ষমতা কমে গেলেও নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে কাঙ্খিত অগ্রগতি হয়নি। বিশেষ করে দেশের সমুদ্র এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধানের সম্ভাবনা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বড় ধরনের কার্যক্রম দেখা যায়নি। ফলে নিজস্ব উৎপাদনের ঘাটতি পূরণ করতে বাংলাদেশকে আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়েছে।’

নেতৃদ্বয় ‘বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, সরকার জনগণের এই ন্যায্য দুর্ভোগের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে, গ্যাস সংকটের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তথ্য দেশবাসীর সামনে প্রকাশ করবে। এ ছাড়া দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দেশবাসীর দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত