বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি হত্যায় অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর বিবৃতি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় সোনারগাঁয়ের শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম ফারাক্কার লংমার্চ অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক :ন্যাপ পুলিশ সপ্তাহে নারায়ণগঞ্জ পিবিআই ৩কর্মকর্তাকে আইজি ব্যাজ প্রদান সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক নাছির উদ্দীন ও সদস্য সচিব আনিছুর রহমান হীরাঝিলে বহুতল ভবনে জ্বলছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চুলা, সরকার হারাচ্ছে ৬ লক্ষ টাকার রাজস্ব সোনারগাঁয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামী সানোয়ার গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান এর মৃত্যুতে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর শোকবার্তা নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অভিযানে ৭জনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা হাওরের সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ গ্রহন করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ

এনসিপি নেতারা মুগদা থানা ঘেরাও করে আ.লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন

রাজধানীর মুগদায় মব সৃষ্টি করে থানা হেফাজতে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির—এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী নেতারা।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে মুগদা থানায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশি অভিযানে আটক হয় ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। পরে তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়। আলমগীর স্থানীয় একটি মারামারি মামলার সন্দেনভাজন আসামি। মামলা তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করেছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেনকে আটকের পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এনসিপির মুগদা থানা আহ্বায়ক শাওন চৌধুরীর নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের দল থানার সামনে জড়ো হন। এই দলে ছিলো— বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুগদা থানা ইউনিটের সমন্বয়ক নাঈম আবেদীন, মো. জাবেদ, মো. সৈকত, মাজহারুল ইসলাম ও ফারাবি জিসানসহ আরও অনেকে। তারা থানার সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। একইসঙ্গে আলমগীরকে ছেড়ে দিতে নানান চাপ সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে তারা থানার কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ আটক আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন দিতে বাধ্য হয়।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘রাজনৈতিক একটি মামলায় তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে এনসিপি ও বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী থানায় এসে চাপ সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনার পর আদালতে না পাঠিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজেদুর রহমানকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত