সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
মসজিদ ভাঙ্গার দায়ে দোষী -শহিদুল -কে যুবদলের নেতা বলে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশে ক্ষোভ যুবদল নেতাকর্মীদের বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাইলেন বিএনপি নেতা নাছির উদ্দীন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া চেয়েছে ছাত্রদল নেতা আবির হোসেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়েছে ছাত্রদল নেতা সানি আলম রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মোমেন ও সাধারণ সম্পাদক রোবেল মাহমুদ সিদ্ধিরগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে অস্ত্র ঠেকিয়ে গরু ডাকাতি, আহত চার ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল করলো ঢাবি সিদ্ধিরগঞ্জে পরিত্যাক্ত ভবনের নিচ থেকে তরুণের মরদেহ উদ্ধার কড়াইলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তারেক রহমানের উদ্বেগ প্রকাশ

সাংবাদিকের উপর হামলাকারী শাহাদাত কারাগারে

নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার ফতুল্লায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার  বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেনকে (৬০) কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আদালতে প্রেরণ করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুদ্দিন কাদিরের আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য করে তাকে কারাগার প্রেরণের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশ পরিদর্শক কাইয়ুম খান বলেন, সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার মূল আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

এর আগে  বিকেলে আহত জাগো নিউজের সাংবাদিক মো. আকাশ খান বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলাটি (যার নং-০৯) দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে মূল হামলাকারী শাহাদাত হোসেন (৬০) এবং সায়েদাবাদী শহীদকে(৫৫)। এছাড়া মামলায় ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

জানা যায়, শাহাদাত নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আতা-ই রাব্বির বাবা।

হামলায় আহতরা হলেন অনলাইন পোর্টাল জাগো নিউজের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা প্রতিনিধি মো. আকাশ, নিউজ নারায়ণগঞ্জ নামের স্থানীয় এক গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান আব্দুল্লাহ মামুন ও আয়াজ হোসেন।

মামলার বাদী সাংবাদিক মো. আকাশ জানান, ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় এক নারীর জমি দখলের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে গেলে বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন তাদের উপর হামলা করেন। তাদের বাধা উপেক্ষা করে একের পর চড়-থাপ্পড় দিতে থাকেন। তাদের একটি কক্ষে আটকে রেখে ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনও ভাঙচুর করা হয় দাবি করে তিনি বলেন, পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর বিকেলে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় তিন সংবাদকর্মীকে দুই ঘন্টা আটকে মারধর করা হয়। এসময় হামলা চালিয়ে ক্যামেরা ও মুঠোফোন ভাঙচুর করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত