বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
কোনো ভাইয়ের রাজনীতি করিনি, দলকে ভালোবেসে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি নাসিক ৪নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সোনারগাঁও–সিদ্ধিরগঞ্জ আমার স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও অধিকার: গোলাম মসীহ্ বিএনপিতে মীরজাফরদের ঠাঁই হবে না : আজহারুল ইসলাম মান্নান রূপগঞ্জে ধানের শীষে ভোট চেয়ে উঠান বৈঠক সিদ্ধিরগঞ্জে ৭নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিত সভা, দোয়া ও মিলাদ নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া সৈনিক দলের কার্যালয় উদ্বোধন সিদ্ধিরগঞ্জে ৭নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিত সভা, দোয়া ও মিলাদ সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রদল নেতা আবিরের নেতৃত্বে নেতাকর্মী নিয়ে ধানের শীষের গনসংযোগে অংশগ্রহণ সিদ্ধিরগঞ্জে তাতীঁদল নেতা মোহর চাঁনের উদ্যোগে ধানের শীষের গনসংযোগ

সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্মেসিতে অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকায় অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অভিযোগে তিন ফার্মেসিকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপু‌রে জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোনাব্বের হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মো. সাইফুল্লাহ মাহমুদ।
অভিযানকালে মেসার্স আলিফ মেডিসিন কর্ণারকে ২০ হাজার, আল মদিনা ফার্মেসিকে ১০ হাজার এবং এ বি ফার্মাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ‘ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ বিক্রয় নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি একটি ফার্মেসিতে বেশি দামে ওষুধ বিক্রির প্রমাণ মেলে। অভিযান শুরু হলে ২০–৩০টি ফার্মেসি দোকান বন্ধ করে মালিকেরা পালিয়ে যান। ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মো. সাইফুল্লাহ মাহমুদ বলেন “ওষুধ মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি শুধু আইনভঙ্গ নয়, এটি মানবতারও অবমাননা। আমরা নিয়মিতভাবে এই ধরনের অভিযান চালাচ্ছি যেন জনগণ নিরাপদ ও মানসম্মত ওষুধ পায়। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ফার্মেসিগুলোকে আমরা সচেতন হতে বলেছি, যেন তারা বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে এবং ওষুধ বিক্রিতে সর্বোচ্চ সততা বজায় রাখে।”এদিকে চিটাগাংরোড সুগন্ধা হসপিটাল কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সুগন্ধ হসপিটালে কোন কিছুতেই ক্রুটি না পেলেও বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্টে ডাক্তারের ইলেকট্রিক সিগনেচার থাকায় এই জরিমানা করা হয়। সুগন্ধা হসপিটালের ম্যানেজার জলিল বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি হসপিটালে পরীক্ষার রিপোর্টে ডাক্তারের ইলেকট্রিক স্বাক্ষর দেয়া হয়। বর্তমানে সকল পরীক্ষার রিপোর্ট মেশিনের মাধ্যমে করা হয়। আর এসব ইলেকট্রিক স্বাক্ষর ডাক্তারদের অনুমতিক্রমে দেওয়া হয়। ইলেকট্রিক স্বাক্ষরের অনুমতি দেওয়া আছে বাংলাদেশ সরকারের। অথচ এই অপরাধে আমাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এলাকাবাসী বলেন, সুগন্ধা হসপিটালের চিকিৎসার মান অনেক ভালো। এখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনেক ভালো। সুগন্ধা হসপিটালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সঠিক কিনা তা আমরা অন্য হসপিটালে গিয়ে আবার পরীক্ষা করে তার সত্যতা পাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত