বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
কোনো ভাইয়ের রাজনীতি করিনি, দলকে ভালোবেসে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি নাসিক ৪নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সোনারগাঁও–সিদ্ধিরগঞ্জ আমার স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও অধিকার: গোলাম মসীহ্ বিএনপিতে মীরজাফরদের ঠাঁই হবে না : আজহারুল ইসলাম মান্নান রূপগঞ্জে ধানের শীষে ভোট চেয়ে উঠান বৈঠক সিদ্ধিরগঞ্জে ৭নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিত সভা, দোয়া ও মিলাদ নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া সৈনিক দলের কার্যালয় উদ্বোধন সিদ্ধিরগঞ্জে ৭নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিত সভা, দোয়া ও মিলাদ সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রদল নেতা আবিরের নেতৃত্বে নেতাকর্মী নিয়ে ধানের শীষের গনসংযোগে অংশগ্রহণ সিদ্ধিরগঞ্জে তাতীঁদল নেতা মোহর চাঁনের উদ্যোগে ধানের শীষের গনসংযোগ

সিদ্ধিরগঞ্জে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগে অবরুদ্ধ ডিজিটাল জরিপের ২কর্মকর্তা

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে ডিজিটাল ভূমি জরিপের নামে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশে দিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের ছাত্র-জনতা।

বুধবার (২৩ জুলাই) সিদ্ধিরগঞ্জের ১নং ওয়ার্ডের হিরাঝিল এলাকায় তাদের ৬ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জের সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মো: মহসিন আলী সরদার ও সার্ভেয়ার নজরুল।

ভুক্তভোগী শাহজালাল বলেন, ‘আমার জমির কাগজ সম্পূর্ণ ঠিক আছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় বসবাস করি। আমার সব ঠিক থাকার পরেও আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ৮০ হাজার টাকা চেয়েছে তারা। পরে বাধ্য হয়ে আমি ৩০ হাজার টাকা দেই। তারা এখন আরো টাকা দাবি করে।’

আরেক ভুক্তভোগী কামাল মিয়া বলেন, ‘আমার দুটি বাড়ির কাগজ ডিজিটাল সার্ভে করতে ৪০ হাজার করে ৮০ হাজার টাকা চায় তারা। পরবর্তী সময়ে আমাকে বলে দেয় ৪০ হাজার টাকা দিলে কাজ হবে। টাকা না দেয়াতে আমার কাজ হয়নি। তাই আমরা এলাকাবাসী তাদের অবরুদ্ধ করেছি আমাদের কাজ সঠিকভাবে করে দেয়ার জন্য। যাদের থেকে টাকা নিয়েছে তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে।’

হিরাঝিল ৪ নম্বর গলির বাসিন্দা আয়েশা আক্তার বলেন, ‘ভূমি জরিপের কাজ করতে হলে ২০ হাজার টাকা লাগবে। টাকা না দিলে কোনো কাজ হবে না বলে জানানো হয়।’

অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় সিদ্ধিরগঞ্জের সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মো: মহসিন আলী সরদার বলেন, ‘আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। এখানে কারা টাকা নিয়েছে তাও আমার জানা নেই। আমি কাউকে চিনি না।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মেহরাব হোসেন প্রভাত বলেন, ‘ডিজিটাল সার্ভের নামে অবৈধ অর্থ লুট করে নিচ্ছে এখানকার সার্ভেয়াররা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকাবাসীসহ আমরা ছাত্র-জনতা তাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছি। এখানে অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগী আছে।‘

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে অবরুদ্ধদের এবং ভুক্তভোগীদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত শুনে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত