বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক নাছির উদ্দীন ও সদস্য সচিব আনিছুর রহমান হীরাঝিলে বহুতল ভবনে জ্বলছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চুলা, সরকার হারাচ্ছে ৬ লক্ষ টাকার রাজস্ব সোনারগাঁয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামী সানোয়ার গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান এর মৃত্যুতে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর শোকবার্তা নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অভিযানে ৭জনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা হাওরের সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ গ্রহন করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ শিমরাইল আন্তঃজিলা শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সিদ্ধিরগঞ্জে ইপিজেডের ব্যবসা দখলে নিতে ঠিকাদার রমজানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা কি কাল হলো ওসি মহিবুল্লাহ্’র? সোনারগাঁয়ে বদলি ঘিরে গুঞ্জন বিএনপি নেতা মামুন মুন্সীর মৃত্যুতে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর শোকবার্তা

বাস ভাঙতে নিষেধ করায় সাংবাদিক কে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

বাস ভাঙচুর না করার অনুরোধ করায় সাংবাদিককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর)  দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন রাজধানীর গুলিস্তান হতে নিজ গন্তব্যে ফেরার জন্য আসিয়ান পরিবহনে উঠেন। চলার পথে গাড়ি ব্রেক করাকে কেন্দ্র করে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এ নেতা। এ সময় ইকবাল হোসেন তার থানার কর্মীদের খবর দেন। পরে বাসটি সাইনবোর্ড পার হয়ে সানারপাড় পৌঁছালে অন্তত ৩০ জন সহযোগী এসে চালককে মারধরের পর গাড়ি ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে মারধর শেষে বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন নিজে একটি ভিজিটিং কার্ড দেন চালককে। এরপর ইকবাল বলে, ‘তোর বাপেগরে জানাইস কে পিটাইসে।’

ভুক্তভোগী বাসচালক নয়নের দাবি, “ইকবাল হোসেনের সঙ্গে তর্ক করাকালীন সময়ে উঁচু গলায় কথা বলার অপরাধে তাকে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে তারা। আমি গুলিস্তান থেকে গাড়ি চালিয়ে আসছিলাম। সায়েদাবাদে যানজট থাকায় গাড়ির সামনে একটি মোটরসাইকেল এসে থামায় আমি দ্রুত ব্রেক করি। সে সময় গাড়ির যাত্রীদের ঝাঁকুনি লাগে। তখন সেই নেতা বলে কিরে কেমনে গাড়ি চালাস? এনিয়ে তর্ক হলে সে আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।”

এ বাসের যাত্রী ছিলেন ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্ট চেকার, অনলাইন এক্টিভিস্ট ও সাংবাদিক মিনহাজ আমান। ইকবালকে উদ্দেশ্য করে মিনহাজ বলেন, বাস ড্রাইভার তর্ক করছে বলে আপনি বাসটা ভেঙ্গে ফেলবেন? বাস মালিক তো দোষ করে নাই। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই ইকবালের লোকজন আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে মারধর করে। তখন ইকবাল বলে, ‘দলের হাইকমান্ডদের বলিয়েন আমার কথা। আমি ইকবাল হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সেক্রেটারি।’

এ বিষয়ে বিএনপি নেতা ইকবাল বলেন, গাড়ির ড্রাইভার আমার সঙ্গে বাজে আচরণ করেছে। উল্টাপাল্টাভাবে গাড়ি চালানোয় তাকে আস্তে চালাতে বলায় আমাকে বলে ’আপনে গাড়ি চালান’। সে আমকে ধমক দেয়। পরে আমি ওই ড্রাইভারকে কান-পট্টি (থাপ্পড়) মেরে ছেড়ে দিয়েছি। এ সময় আমার এক কর্মী না জেনে ওই সাংবাদিককে থাপ্পড় মেরেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত